Text Practice Mode
হলফনামায় পরিপূর্ণ তথ্য না থাকায় জামায়াতের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল
created Today, 13:15 by MazedurRahman
0
208 words
7 completed
0
Rating visible after 3 or more votes
saving score / loading statistics ...
00:00
আজ শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে কুমিল্লা-৩ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ তথ্য জানানো হয়। এ সময় সেখানে ইউসুফ সোহেল উপস্থিত ছিলেন। তাঁর উপস্থিতিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় গণ অধিকার পরিষদ (জিওপি) মনোনীত প্রার্থী মনিরুজ্জামানের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে। এ আসনে বিএনপি মনোনীত কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আহমদ আবদুল কাইয়ূমসহ সাতজনের মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিলে হলফনামা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলিল। জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হলফনামা জমা দিলেও সেখানে সব তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। বিশেষ করে কোনো প্রার্থীর দ্বৈত নাগরিকত্ব আছে কি না, তা নাম-পরিচয়ের পরপরই উল্লেখ করতে হয়। কিন্তু মো. ইউসুফ সোহেল সে তথ্য দেননি। এ ছাড়া বাধ্যতামূলক ১০টি তথ্যের স্থলে তিনি ৯টি তথ্য দিয়েছেন। এসব কারণে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।
এদিকে আপিল করার ঘোষণা দিয়ে ইউসুফ সোহেল বলেন, যথাযথ নিয়ম মেনে তিনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করবেন। তাঁর প্রত্যাশা তিনি দ্রুতই নিজের প্রার্থিতা ফেরত পাবেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় গণ অধিকার পরিষদ (জিওপি) মনোনীত প্রার্থী মনিরুজ্জামানের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে। এ আসনে বিএনপি মনোনীত কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আহমদ আবদুল কাইয়ূমসহ সাতজনের মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিলে হলফনামা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলিল। জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হলফনামা জমা দিলেও সেখানে সব তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। বিশেষ করে কোনো প্রার্থীর দ্বৈত নাগরিকত্ব আছে কি না, তা নাম-পরিচয়ের পরপরই উল্লেখ করতে হয়। কিন্তু মো. ইউসুফ সোহেল সে তথ্য দেননি। এ ছাড়া বাধ্যতামূলক ১০টি তথ্যের স্থলে তিনি ৯টি তথ্য দিয়েছেন। এসব কারণে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।
এদিকে আপিল করার ঘোষণা দিয়ে ইউসুফ সোহেল বলেন, যথাযথ নিয়ম মেনে তিনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করবেন। তাঁর প্রত্যাশা তিনি দ্রুতই নিজের প্রার্থিতা ফেরত পাবেন।
saving score / loading statistics ...