Text Practice Mode
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলছে বাংলাদেশ
created Mar 18th, 07:15 by vaijan
1
175 words
6 completed
0
Rating visible after 3 or more votes
saving score / loading statistics ...
00:00
অনুকূল শুল্ক ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি গত জানুয়ারিতে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে। বিশ্বের শীর্ষ অর্থনৈতিক দেশটি থেকে প্রচুর কার্যাদেশ আসায় এই প্রবৃদ্ধি হয়েছে। গত জানুয়ারিতে পোশাক খাতে প্রবৃদ্ধি অর্জনের দিক থেকে বাংলাদেশ প্রতিযোগী দেশগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (ওটেক্সা) তথ্য বলছে—গত জানুয়ারিতে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৭৯৯ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন ডলার।
রপ্তানিকারকরা বলছেন—ট্রাম্প প্রশাসন চীন ও মেক্সিকো থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানোয় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের জন্য সুবিধা তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প বলেছিলেন—নির্বাচিত হলে চীন, মেক্সিকো ও অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করবেন।
দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে দেন। গত মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ৩৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছিলেন।
ক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ১৫ দশমিক ৬২ শতাংশ শুল্ক দিতে হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ আছে।
গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র সারাবিশ্ব থেকে সাত দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারের পোশাক আমদানি করে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় তা ১৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (ওটেক্সা) তথ্য বলছে—গত জানুয়ারিতে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৭৯৯ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন ডলার।
রপ্তানিকারকরা বলছেন—ট্রাম্প প্রশাসন চীন ও মেক্সিকো থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানোয় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের জন্য সুবিধা তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প বলেছিলেন—নির্বাচিত হলে চীন, মেক্সিকো ও অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করবেন।
দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে দেন। গত মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ৩৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছিলেন।
ক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ১৫ দশমিক ৬২ শতাংশ শুল্ক দিতে হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ আছে।
গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র সারাবিশ্ব থেকে সাত দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারের পোশাক আমদানি করে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় তা ১৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি।
